রবিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৬
ইলিয়াসী তাবলীগ এর আলেম
লিখেছেন
কিছুদিন আগে আমাদের মাসজিদে কয়েকজন তাবলীগ জামাতের ভাই এসেছিলেন। তো উনারা এসে আসর নামাজের পর বয়ান রাখার অনুমতি চাইলেন মসজিদ কর্তৃপক্ষেরর নিকট। তাদের বলা হল যদি কুরআন সুন্নাহ থেকে আলোচনা রাখতে পারেন তাহলে অনুমতি দেয়া যাবে। উনারা রাজি হলেন এ শর্তে। তাদের মধ্যে একজনের লেবাস দেখে মনে হচ্ছিল তিনি হয়তো বড় আলেম হবেন, নামাজের পর আলোচনা শুরু করলেন, হামদ ও ছানাও ভালভাবে বলতে পারলেন না, তাদেরকে শেখানো তোতা পাখির মত কিছু মুখস্থ বুলি বলা শুরু করলেন,
১) মাখলুক কিছুই করিতে পারেন না আল্লাহর হুকুম ছাড়া।
২) বর্তমান যামানার উম্মাত যারা একটি সুন্নাত পালনের চেষ্টা করিলে তার আমলনামায় ১০০ শহীদের সওয়াব লেখা হয়।
৩) যে ব্যক্তি ১বার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ পাঠ করিবে তার পিছনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।
এগুলো শুনার পর আমাদের মাসজিদের একজন সাধারণ মুসল্লি ক্ষীপ্ত হয়ে গেলেন তার উপর, কারন আমাদের একজন সাধারণ মুসল্লির যে জ্ঞান আছে আলহামদুলিল্লাহ তা বেদাতি হুজুরদের থেকে হাজারগুন বেশি। হুজুর বুঝতে পারলেন না তিনি কি ভুল বললেন আর কেনই বা তার উপর একজন প্রচন্ড রেগে গেল। তাই তিনি ঐ মুসল্লিকে ভালভাবে শুনার অনুরোধ করে আবার ঐ একই কথা রিপিট করা শুরু করলেন, তো উনাকে থামিয়ে দেওয়া হল এবং বলা হল এসব আলোচনা না করে আপনাকে বাংলা অনুবাদসহ কুরআন দিচ্ছি সেখান থেকে কুরআন তেলাওয়াত করেন আর অনুবাদ করে শুনান আমরা শুনব। তো তিনি বললেন দেখেন আমি কোন আলেম না এবং কুরআনও ভাল করে পড়তে জানি না।
পরিশেষে উনার কাছে এসব কথার বিশুদ্ধ দলীল চাওয়া হলে তিনি কোন দলীল পেশ করতে পারেন নি।।।
বরং তিনি সন্ধিহানে পড়ে গেছেন আসলে একথাগুলো ঠিক?? না ভুল???
প্রিয় পাঠক,
এখন চিন্তা করেন এই যদি হয় এদের তাবলীগে ইসলাম তাহলে জাতি তাদের কাছ থেকে ইসলামের কি শিখবে??
শিক্ষক যদি মূর্খ হয় সে শিক্ষক দ্বারা কি শিক্ষিত জাতি গড়ে তোলা সম্ভব???
তেমনই এ সমস্ত দিকভ্রান্ত মানুষগুলো দ্বারা সাধারণ মানুষ ভ্রান্তির ধুম্রজালে আবদ্ধ হতে পারবে কিন্তু ভ্রান্তির জাল থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভবপর হবে না।।।
ইল্লা মান রাহিমাল্লাহ।।।
লেখার লিংক
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন