শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮

২য় পর্ব মাযহাব বিষয়ক ১০টি উদ্ভট প্রশ্নের ইলযামী জবাব এর পাল্টা জবাব Lutfor Farazi V/S Md Sarower Hossain

<u>২য় পর্ব মাযহাব বিষয়ক ১০টি উদ্ভট প্রশ্নের ইলযামী জবাব এর পাল্টা জবাব Lutfor Farazi V/S Md Sarower Hossain </u>

<a href="url">https://mdsaroyarhossain.wordpress.com/2018/01/18/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a7%a7%e0%a7%a6%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%9f-%e0%a6%aa/ ১ম পর্ব এখানে পড়ুন </a>

<span style="color:blue">৩) মাযহাব আর যদি ফারজ, ওয়াজিব বা সুন্নাহ হয়ে না থাকে তবে এটা মানতে এত বাধ্য করা হয় কেনো,??</span>

<span style="color:red">Lutfor Farazi r উত্তর
৩) আর যদি ফরজ ওয়াজিব বা সুন্নাহ না হয়ে থাকে, তবে এটা মানতে এত বাধ্য করা হয় কেন? কুরআন ও সহীহ হাদীসের শব্দ দ্বারা জানতে চাই।</span>

<span style="color:green">পাল্টা জবাব Md Sarower Hossain
আরে জাহেল Farazi (১)তুই কি ব্যাকারণ পরস নি?? (২)কোন ব্যাকরণে আছে প্রশ্নের উত্তরে প্রশ্ন করতে হয়??? </span>  <span style="color:blue">
এখন আসি তর প্রশ্নের জবাবে ১মে বলি তুই ৩য় প্রশ্নের উত্তর দেসনি। প্রশ্ন করা হয়েছে মাযহাব নিয়ে আর তুই উত্তরে প্রশ্ন করলি হাদিসের  কিতাব বা  হাদিসের উপর বাহ কি সুন্দর তর ইল্মের জাহির উত্তর।</span>  <u>তুই এই প্রশ্নটি ভুল করেছিস হাদিসের প্রকারভেদ  হবে না হাদিস মানা হবে। </u>  <span style="color:blue">হাদিস বা নবি সা: এর কথা   মানার আদেশ  আল্লাহতালা  দিয়েছন   কুরআনের। এখন বুঝ  সেটা ফরজ না ওয়াজিব না সুন্নাত। হাদিস মানতে কেউ  কাউকে বাধ্য করেনা। হাদিস বা নবি সা এর কথা  বা আদেশ -নিষেধ মানতে আল্লাহতালা  কুরআন আয়াত নাজিল  করেছ জাসাহেব।</span>Lutfor Farazi সাহেব।।

<span style="color:black">আর যদি বলিস হাদিসের বিভিন্নশ্রেণি ভাগের বিভিন্ন পরিভাষা মানা ফরজ/ ওয়াজিব/সুন্নত/ এটা ভুল,,আমি আজ পর্যন্ত কাউকে বলতে শুনিনি।। তর মতন জাহেল কে দেখলাম।।হাদিসের শ্রেণী বিভাগের পরিভাষাগুলো মানা ফরজ / ওয়াজিব/ সুন্নত না না না না....।</span>

<i>৪)নিশ্চই রসুল(স) এবং তার সাহাবি গনের ১টি মাজহাব ছিল.…? সেই মাজহাব বা তরিকা কি আমাদের জন্য কি যথেষ্ট নয় ..…? </i>

<span style="color:red">Lutfor Farazi
৪) নিশ্চয় রাসূল (সাঃ) এবং তার সাহাবীগণ এক প্রকার হাদীস মানতেন। সেই হাদীসই কি আমাদের জন্য যথেষ্ট নয়? তাহলে এতসব নাম কেন দেয়া হল হাদীসের? নবীজী (সাঃ) ও সাহাবীগণ কোন প্রকারের হাদীস মানতেন, সেটির সংজ্ঞাসহ জানতে চাই কুরআন ও সহীহ হাদীসের শব্দ দিয়ে।</span>

<span style="color:brown">Md Sarower Hossain
সাহাবা রাঃ তারা খালি শুধু এক প্রকার হাদিস মানত না সাহাবা রাঃ কুরআন এবং হাদিস মানত।। এখানে Lutfor Farazi তুই সাহাবা রাঃ দের উপর মিথ্যা  অপবাদ দিলি!!!!!!
নবি সাঃ আল্লাহর ওহি মানতেন।  সাহাবা রাঃ কুরআন ও হাদিস মানতো।</span>  <span style="color:red">সাহাবাদের সময় হাদিসের বিভিন্ন  প্রকারভেদ  ছিল না। হাদিসের   বিভিন্ন প্রকার করেছ মুহাদ্দিস রা। </span>

<u>৫) হানাফি,শাফি,হাম্বলি ও মালিকি এই ৪ মাজহাব কি এই ৪ ইমামের জীবদ্দশাই তৈরি হয় নাকি তাদের মৃত্যুর পর…?</u>

<span style="color:red">Lutfor Farazi
৫) ছয় কিতাবকে সিহাহ সিত্তা নাম বলা কি সংকলকদের জীবদ্দশায়ই বলা শুরু হয় নাকি তাদের মৃত্যুর পর বলা শুরু হয়?
.
প্রচলিত সহীহ লিজাতিহী, সহীহ লিগাইরিহী, হাসান লিজাতিহী, হাসান লিগাইরিহী, জঈফ মুনকার, মুদাল্লাস হাদীসের এসব পরিভাষা কবে কখন থেকে চালু হয়? এসব কে চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন? কুরআন ও সহীহ হাদীসের শব্দ দিয়ে জানতে চাই।</span>

<span style="color:black">Md Sarower HossainHossain
(১)তুই কি ব্যাকারণ পরস নি?? (২)কোন ব্যাকরণে আছে প্রশ্নের উত্তরে প্রশ্ন করতে হয়??? </span> <b>
এখন আসি তর প্রশ্নের জবাবে ১মে বলি তুই ৫ম প্রশ্নের উত্তর দেসনি। প্রশ্ন করা হয়েছে মাযহাব নিয়ে আর তুই উত্তরে প্রশ্ন করলি হাদিসের বিভিন্ন শ্রেণিবিভাগ এর উপর বাহ কি সুন্দর তর ইল্মের দড়ৌর </b> <span style="color:red">যে এমন কলা আর আখ একই জিনিষ ও আরো পান্তাভাতে ঘি দেওয়ার সমান।</span> <u>
ছয় কিতাবকে সিহাহ সিত্তা নাম বলা শুরু হয় সংকলকদের জীবদ্দশায় না।  তা বলা শুরু হয় তাদের মৃত্যুর  অনেক পরে। বলা শুরু হয়  তাও আবার ভারতীয় উপমহাদেশে।</u>

বুধবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮

মাযহাব বিষয়ক ১০টি উদ্ভট প্রশ্নের ইলযামী জবাব এর পাল্টা জবাব Lutfor Farazi V/S Md Sarower Hossain

<h>মাযহাব বিষয়ক ১০টি উদ্ভট প্রশ্নের ইলযামী জবাব এর পাল্টা জবাব Lutfor Farazi V/S Md Sarower Hossain</h>

<strong>১)প্রচলিত ৪ মাজহাব মান্য করা কি ফারয, ওয়াজিব??</strong>

<span style="color:red">জাল Lutfor Farazi
১) প্রচলিত সহীহ লিজাতিহী, সহীহ লিগাইরিহী, হাসান লিজাতিহী, হাসান লিগাইরিহী, জঈফ মুনকার, মুদাল্লাস হাদীসের এসব পরিভাষা মান্য করা কি ফরজ? না ওয়াজিব? নাকি সুন্নত? কুরআন ও সহীহ হাদীসের শব্দ দ্বারা জানতে চাই।</span>

<b>আমি
Md Sarower Hossain বলি আরে জাহেল প্রশ্নের উত্তর কি প্রশ্ন দিয়ে হয়???</b>
তাহলে বল এর উত্তর কি হবে–!<ul><li>(১)তর বাড়ি কোথায়??? (২)তুই কখন ভাত খেয়েছিস?? (৩)তর বাপের নাম কি??? (৪)এখন কত বাজে???(7)what’s your name?? (৮)
তুই কি ব্যাকারণ পরস নি?? (৯)কোন ব্যাকরণে আছে প্রশ্নের উত্তরে প্রশ্ন করতে হয়???</li></ul>
<span style="color:green">এখন আসি তর প্রশ্নের জবাবে ১মে বলি তুই ১ম প্রশ্নের উত্তর দেসনি। প্রশ্ন করা হয়েছে মাযহাব নিয়ে আর তুই উত্তরে প্রশ্ন করলি হাদিসের উপর বাহ কি সুন্দর তর ইল্মের জাহির।
এই পরিভাষা গুলো হাদিসের ইমামদের দেওয়া। এই গুলো মান্য করা ফরজ বা ওয়াজিব বা সুন্নত না। এই পরিভাষা গুলো কুরআনে বা হাদিসে নাই।</span>

<u>২) যদি ইহা মান্য করা ফারজ,ওয়াজিব বা সুন্নাহ হয়ে থাকে তবে আ বাপারে কুরান ও হাদিছ কি বলে?</u>

<span style="color:red">Lutfor Farazi
২) যদি এসব মান্য করা ফরজ, ওয়াজিব বা সুন্নাহ হয়ে থাকে, তাহলে এসব পরিভাষার ব্যাপারে কুরআন ও হাদীস পরিস্কার ভাষায় কি বলে? কুরআন ও সহীহ হাদীসের শব্দ দ্বারা জানতে চাই।</span>

<b>Md Sarower Hossain
(১)
তুই কি ব্যাকারণ পরস নি?? (২)কোন ব্যাকরণে আছে প্রশ্নের উত্তরে প্রশ্ন করতে হয়???</b>
<span style="color:green">এখন আসি তর প্রশ্নের জবাবে ১মে বলি তুই ২য় প্রশ্নের উত্তর দেসনি। প্রশ্ন করা হয়েছে মাযহাব নিয়ে আর তুই উত্তরে প্রশ্ন করলি হাদিসের উপর বাহ কি সুন্দর তর ইল্মের জাহির।
এই পরিভাষা গুলো হাদিসের ইমামদের দেওয়া। এই গুলো মান্য করা ফরজ বা ওয়াজিব বা সুন্নত না। এই পরিভাষা গুলো কুরআনে বা হাদিসে নাই। এইগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ভাবে কিছু বলার নাই।</span>
<br>

<span style="color:red">আমি একটা বিষয় পরিস্কার করি Lutfor Farazi কাজ হাদিস বা হাদিসের গ্রন্থ/কিতাবকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, যা করে থাকে বতর্মান যুগের নাস্তিকগুস্টিরা। নাস্তিকরা যে ভাবে বলে হাদিসে এটা আছে তো তুরা তা করস না কেন?? ঠিক সেই প্রশ্নটি করে Lutfor Farazi সাহেব মহাশয়।।</span>

রবিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৬

ইলিয়াসী তাবলীগ এর আলেম

লিখেছেন

Muslehuddin Bin Manjur Alam

কিছুদিন আগে আমাদের মাসজিদে কয়েকজন তাবলীগ জামাতের ভাই এসেছিলেন। তো উনারা এসে আসর নামাজের পর বয়ান রাখার অনুমতি চাইলেন মসজিদ কর্তৃপক্ষেরর নিকট। তাদের বলা হল যদি কুরআন সুন্নাহ থেকে আলোচনা রাখতে পারেন তাহলে অনুমতি দেয়া যাবে। উনারা রাজি হলেন এ শর্তে। তাদের মধ্যে একজনের লেবাস দেখে মনে হচ্ছিল তিনি হয়তো বড় আলেম হবেন, নামাজের পর আলোচনা শুরু করলেন, হামদ ও ছানাও ভালভাবে বলতে পারলেন না, তাদেরকে শেখানো তোতা পাখির মত কিছু মুখস্থ বুলি বলা শুরু করলেন, ১) মাখলুক কিছুই করিতে পারেন না আল্লাহর হুকুম ছাড়া। ২) বর্তমান যামানার উম্মাত যারা একটি সুন্নাত পালনের চেষ্টা করিলে তার আমলনামায় ১০০ শহীদের সওয়াব লেখা হয়। ৩) যে ব্যক্তি ১বার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ পাঠ করিবে তার পিছনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। এগুলো শুনার পর আমাদের মাসজিদের একজন সাধারণ মুসল্লি ক্ষীপ্ত হয়ে গেলেন তার উপর, কারন আমাদের একজন সাধারণ মুসল্লির যে জ্ঞান আছে আলহামদুলিল্লাহ তা বেদাতি হুজুরদের থেকে হাজারগুন বেশি। হুজুর বুঝতে পারলেন না তিনি কি ভুল বললেন আর কেনই বা তার উপর একজন প্রচন্ড রেগে গেল। তাই তিনি ঐ মুসল্লিকে ভালভাবে শুনার অনুরোধ করে আবার ঐ একই কথা রিপিট করা শুরু করলেন, তো উনাকে থামিয়ে দেওয়া হল এবং বলা হল এসব আলোচনা না করে আপনাকে বাংলা অনুবাদসহ কুরআন দিচ্ছি সেখান থেকে কুরআন তেলাওয়াত করেন আর অনুবাদ করে শুনান আমরা শুনব। তো তিনি বললেন দেখেন আমি কোন আলেম না এবং কুরআনও ভাল করে পড়তে জানি না। পরিশেষে উনার কাছে এসব কথার বিশুদ্ধ দলীল চাওয়া হলে তিনি কোন দলীল পেশ করতে পারেন নি।।। বরং তিনি সন্ধিহানে পড়ে গেছেন আসলে একথাগুলো ঠিক?? না ভুল??? প্রিয় পাঠক, এখন চিন্তা করেন এই যদি হয় এদের তাবলীগে ইসলাম তাহলে জাতি তাদের কাছ থেকে ইসলামের কি শিখবে?? শিক্ষক যদি মূর্খ হয় সে শিক্ষক দ্বারা কি শিক্ষিত জাতি গড়ে তোলা সম্ভব??? তেমনই এ সমস্ত দিকভ্রান্ত মানুষগুলো দ্বারা সাধারণ মানুষ ভ্রান্তির ধুম্রজালে আবদ্ধ হতে পারবে কিন্তু ভ্রান্তির জাল থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভবপর হবে না।।। ইল্লা মান রাহিমাল্লাহ।।। লেখার লিংক

Click This Link

শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৬

"চার মাযহাব ফরজ" যে বলে ইজমা হয়েছে, সে মিথ্যুক॥

"চার মাযহাব ফরজ" যে বলে ইজমা হয়েছে, সে মিথ্যুক॥ আমি জানি এই কথা গুলো সুনে বিদাতিদের চুলকানি শুরু হয়ে যাবে। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল (রঃ) বলেন, (সাহাবীগনের পরে) যে বেক্তি (উম্মতের) ইজমা-এর দাবী করে,সে মিথ্যাবাদী। (মির'আত ১/২৭৯-৮০) এবার আসি মূল কথায় যারা বলে ৪ মাজহাব ৪ ফরয যে কোন একটা মানলেই চলবে এই ৪ ফরজ নিয়া উম্মতে ইজমা হয়েছে। তাহলে ইমাম আহমাদ রঃ এর মতে সে মিথ্যাবাদী, আর আসোলেও তাই কারন এই ইজমার দলীলি নাই কবে হল কোন সময় আর কে কে কোন আলেম করেছে এই ইজমা এর দলীলি নাই। তাহলে উম্মতের মাঝে এই ফিতনা ছরাচ্ছে কারা??? ওলামা দেওবান্দ, তারাই বলে ৪ মাজহাব এর এক মাজহাব তাকলীদ না করলে সেই বেক্তি বেদুইন। (কাফের) কত সুন্দর ফতওয়া,,, শুনেও হাসি আসে। তাহলে সব থেকে বড় বেদুইন ছিল ইমাম মালিক রঃ, তারপর ইমাম শাফিই তারপর ইমাম আহমাদ???(নাওজুবিল্লাহ) কারন তারা কেও কেও কে তাকলীদ করে নাই।বরং যাচাই করে আমল করতে বলেছে। এই কথা গুলো যখন সাধারন মানুষ কে বলি তখন বলে আপনি ফিতনা ছরাচ্ছেন তাই না??? কুর'আন আর সহী সনদে বর্নিত হাদিসের দাওয়াত দিলে আপনারা বলেন ফিতনা ছরাচ্ছি তাই না??? যে ফিতনা নিজেরা তৈরি করে রাখছেন,সাধারন মানুষ কে এখন ইসলামের কথা বললে,তারা বলে এটা কোন ইসলাম?? মনে রাখবেন এটা সেই ইসলাম যে ইসলাম ১৪শত বছর আগে ছিল,আর সেই ইসলামি চাই আমরা সেই ভাবেই ইবাদতের দাওয়াত দিচ্ছি আমরা আর সেই এক তরিকাতেই চলতে হবে মুসলিম উম্মাহর,কোন নতুন ইবাদত নয় কোন শিরক থাকবেনা না থাকবে বিদ'আত, এই দাওয়াতি দিচ্ছি আমরা,শিরক বিদ'আত মুক্ত ইসলাম চাই, আর যখনি বলতে যাই কুর'আন সুন্নাহর কথা, তখনি ফিতনা ছরাই তাইনা????

ও টংগীর মাঠের হুজুর........আপনার কথা তো খুবই ভাল লাগে।

আসসালামু আলাইকুম, ও টংগীর মাঠের হুজুর........আপনার কথা তো খুবই ভাল লাগে। ভাল তো লাগছে বটে...!! যেখানেই আল্লাহ বলেছেন,ভাল কাজের আদেশ কর,সেখানেই বলেছেন,মন্দ কাজের নিষেধ করো। তুমি খুব ভাল কথাই বললে,কি বললে, সুবহান আল্লাহ বললে এতো নেকী হয়....... আল-হামদুলিল্লাহ বললে এত নেকী হয়......... আল্লাহু আকবার বললে এত নেকী হয়............... সুন্দর করে ওজু করে নামাজ পড়লে অতিতের গুনাহ মাফ হয়ে যায়....... ভাল কথা।এগুলো ভাল কথা। বুখারী মুসলিমের হাদিস। আপনি যখন হাত তুলে দোয়া করবেন সারা দেশের লোককে নিয়ে নেতা- নেত্রীকে নিয়ে তার আগে একটু মন্দ কাজের নিষেধ করবেন না??? মন্দ কাজের নিষেধ এভাবে করুন,আল্লাহর রাসুল (সা:) আলীকে (রা:) বললেন আলী তুমি যত উচু কবর আছে ভেংগে মাটির সাথে মিশিয়ে দিবে.... আপনিও বলুন,হোক না কেন শাহ পরান, হোক না কেন শাহজালাল, হোক চিশতীর কবরসহ দেশের সব কবর ভেংগে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে..।। আল্লাহর রাসুল (সা:) বললেন আলী যত ছবি মূর্তি আছে ভেংগে ফেল। আপনি আখেরী দোয়ার আগে বলুন,২৪ ঘন্টার মধ্যে সব ভেংগে দেশের সবমুর্তি ভেংগে ফেলতে হবে। আপনি বলুন,২৪ ঘন্টার মধ্যে এ দেশে যত পতিতালয় রয়েছে,সুদি ব্যাংকিং রয়েছে তা বন্ধ করতে হবে। হুজুর আপনার ভাল কথার সাথে একটু মন্দ কাজের নিষেধ করা যায় না...??? আপনে কাকে কি বুঝাতে চাচ্ছেন? আপনে কি কানাকে হাইকোর্ট দেখাচ্ছেন। যেহেতু আপনারা, দেশের বিভিন্ন মিডিয়া এবং দেশের তাবলীগির বলে ইসতেমা ২য় হজ্জ (নাউজুবিল্লাহ) আপনার এই আখেরী মুনাজাতে যদি সারা পৃথিবীর মানুষ জড় হয় তাহলে সারা পৃথিবীর মানুষই পাপী, কেননা আপনে এই মুনাজাতকে সুন্নাত দিয়ে প্রমান করতে পারবেননা। আপনার যদি আখেরী মুনাজাত চলে তাহলে আরাফার মাঠে একটু আখেরী মুনাজাত করলে হতনা??? কথার কথা আপনের খুব ভাল মনে আছে যারা হজ্জ করতে যায় তারা সবাই আল্লাহর মেহমান, আপনার খুব ভাল মনে আছে যে আরাফার মাঠে যত দোয়া কবুল হয়, আর কোন সময়, আর কোন দিনে, আর কোন অবস্থায় এত দোয়া কবুল হয় না। অতএব, প্রতি বছর হাজীর সংখ্যা থেকে অনেক, এই অনেক হাজী নিয়ে মক্কার ইমাম একটু আখেরী মুনাজাত করলে হতনা??? পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ট জায়গায়, আল্লাহর মেহমানদের কে নিয়ে আখেরী মুনাজাত চলেনা আর তোমার এই তোরাগ নদীর তীরে আখেরী মুনাজাত চলে??? তুমি কি ধর্মকে পাগল পেয়েছ যে ইচ্ছামত মানবে। —

রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৫

আবু হানিফা যঈফুল হাদীছ

►ইমাম দারাকুতনী (রহঃ) , ইমাম আবূ হানিফা (রহঃ) থেকে সর্বমোট ১৪ টি হাদীছ নিয়ে এসেছেন তার সুনান কিতাবে। ► হাদীছ নংঃ ২৯৮, ৪১৩, ৪১৪, ৫০৩, ৬২২, ১২৩৭, ১৩৭৭, ৩০১৪, ৩০১৫, ৩৪৫৮, ৩৮৪৭, ৪৪৭৭, ৪৫১০, ৪৭৯৪। ► তাহকীকঃ মাজদী বিন মানসুর বিন সাঈদ আল-সুরা উক্ত হাদীছগুলির মধ্যে ৪১৩, ৫০৩, ৬২২, ১৩৭৭ (মাজদী বিন মানসুর বিন সাঈদ আস-সুরা এই হাদীছের টীকায় বলেছেন আবু হানিফা যঈফুল হাদীছ), ৩০১৪ (মাজদী বিন মানসুর বিন সাঈদ আস-সুরা এই হাদীছের টীকায় বলেছেন আবু হানিফা যঈফুল হাদীছ), ৩৮৪৭, ৪৪৭৭ (মাজদী বিন মানসুর বিন সাঈদ আস-সুরা এই হাদীছের টীকায় বলেছেন আবু হানিফা যঈফুল হাদীছ), ৪৫১০ (মাজদী বিন মানসুর বিন সাঈদ আস-সুরা এই হাদীছের টীকায় বলেছেন আবু হানিফা যঈফুল হাদীছ), ৪৭৯৪ নং হাদীছগুলিকে যঈফ বলেছেন। (দেখুন মাজদী বিন মানসুর বিন সাঈদ আল-সুরা তাহকীক দারাকুতনী, দার আআল-কুতুব আল-ইলমিয়াহ থেকে প্রকাশ)

শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৫

(পর্ব ১ম ) দেওবন্দী নামক নামধারী হানাফিরা হল ব্রিটিশ রাণী ভেক্টোরিয়ার জারজ সন্তান —————————————— ব্রিটিশ শাসকদের সম্পর্কে উপমহাদেশের তৎকালীন হানাফী উলামাদের ফাতাওয়া – ব্রিটিশ সরকারের সাথে জিহাদ করা হারামঃ

(পর্ব ১ম ) দেওবন্দী নামক নামধারী হানাফিরা হল ব্রিটিশ রাণী ভেক্টোরিয়ার জারজ সন্তান —————————————— ব্রিটিশ শাসকদের সম্পর্কে উপমহাদেশের তৎকালীন হানাফী উলামাদের ফাতাওয়া – ব্রিটিশ সরকারের সাথে জিহাদ করা হারামঃ —————————————————- ফাতাওয়া প্রদানের তারিখ: ১৭ই রবিউসসানী, ১২৮৭ হি. (১৭ই জুলাই ১৮৭০) এখানকার মুসলমানরা খ্রীস্টানদের দ্বারা সংরক্ষিত (নিরাপদ), আর যেখানে নিরাপত্তা প্রদান করা হয় সেদেশে কোন জিহাদ নেই। যখন মুসলমান ও কাফেরদের মধ্যে নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার অভাব হবে সেখানে ধর্মীয় যুদ্ধ অপরিহার্য হবে, আর এই শর্ত এখানে অনুপস্থিত। এছাড়া, এটা আবশ্যক যে সেখানে মুসলমানদের বিজয় লাভ ও ইসলামের গৌরব বজায় রাখার সম্ভাবনা থাকতে হবে। যদি সে রকম কোন সম্ভাবনা না থাকে তবে জিহাদ করা হারাম। তারপর মৌলভীগণ তাদের ফাতাওয়ার সমর্থনে ‘মানহাজুল গাফফার’ এবং ‘ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী’ থেকে আরবী উদ্ধৃতি উল্লেখ করেন। ফাতাওয়া প্রদানকারীদের স্বাক্ষরঃ মৌলভী আলী মুহাম্মাদ (লাখনৌ) মৌলভী আবদুল হাই (লাখনৌ) মুহাম্মাদ ফজলূল্লাহ (লাখনৌ) মুহাম্মাদ নাইম (লাখনৌ) মৌলভী রহমতুল্লাহ (লাখনৌ) মৌলভী কুতুবুদ্দীন (দিল্লী) মৌলভী ও মুফতী সাদুল্লাহ (লাখনৌ) মৌলভী লুৎফুল্লাহ (রামপুর) মৌলভী আলম আলী (রামপুর)

সূত্র: ডব্লিউ ডব্লিউ হান্টার, ইন্ডিয়ান মুসলমানস্‌, পৃ: ২১৪-২১৫ Screenshot